ঢাকা, ২৯ আগস্ট (জাগরণ)। দেশের বিচার ব্যবস্থা প্রায় নিরন্তর মুখোমুখি হয় অনেক আইনি, প্রশাসনিক ও ন্যায়বিচার সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ। এমনকি আদালতের প্রেডাকশন হয়েছে বা গ্রেফতার নবাগত অভিযুক্তদের জন্য সম্পর্কিত একটি উল্লেখযোগ্য সংবাদ আজ নিয়ে চলছে। ঢাকা শহরের আদালতের প্রেডাকশন এলাকায় বন্দিদের জন্য খাবার ও পানি সরবরাহের পরিস্থিতি উন্নত করা হচ্ছে। আদালতের বিভিন্ন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রোথোকোল অফিসার (পো) দ্বারা নিরীক্ষণে, গত কয়েক মাসে আদালতে হাজির বন্দিদের জন্য খাবার ও পানি অভাব এক গুরুতর সমস্যা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনুসারে, আজ পর্যন্ত এই বন্দিরা খাবার-পানী চাইলে বাহির থেকে নিতে বাধ্য হয়। অসুবিধাভোগী এলাকায় নজরদারীর প্রচেষ্টা ছিল, তবুও বন্দিরা খাওয়ার-দেয়ার কাজে তাদের নির্ভর করত। এ সমস্যাগুলো বিষয়ক অনেক বছর ধরে চিৎকার শুনা দেয়, তবুও সঠিক সমাধান প্রত্যাশিত হয়নি। আইনজীবী এবং দেশীয় অভিযোগকারী সরকার (ডিএমপি) অফিসারদের সাথে আলোচনা করে শুনা যায়, যে বন্দিদের জন্য খাওয়ার-দেয়ার পরিস্থিতি হঠাৎ উন্নত করা হয়েছে। এর ফলে, বন্দিরা বাইরে খাওয়ার-দেয়ার জন্য প্রস্থায়ন করতে না হতে পারে। এ ক্ষেত্রে, বিশেষ উল্লেখযোগ্য সুধারণা আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও পোদের নির্দেশনার অধীনে করা হয়। এ আদালতে বন্দিদের জন্য নির্ধারিত খাবার থাকাকালীন সেই সময় পরিশোধ হবে। এ বিষয়ে গভীর চিন্তা ও প্রণয়ন করে, ঢাকার মেট্রো আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন পর্যন্ত কি করবে, শুধু মানবিক সিদ্ধান্ত হয়ে থাকবে না, আদালতের ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছতার পরিষেবায় অবদান রাখবে। নির্দিষ্ট আইনজীবী, ডিএমপির কর্মকর্তাও উল্লেখ করেছেন, যে আগে আসা খাবারগুলো নিজেদের প্রয়োজন পূরণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, এখন সেই অবিচার দূর করে বন্দিদের জন্য আলাদা খাবার দেয়া হচ্ছে। এ সম্পূর্ণ উন্নতি অনুযায়ী, ঢাকার আইনজীবী সমিতির সদস্যগণ এবং অভিযোগপত্রে লিখিত চাকরির মানুষই আনন্দিত। এসব উদ্ধৃতি শুনার ফলে, আজ ঢাকায় একটি নতুন মাঝখানি অর্থাৎ বন্দিদের জন্য পর্যাপ্ত খাওয়ার-দেয়ার সুবিধা আছে, এই নিশ্চিত করার ভাগ হলো।